নরসিংদী জেলার প্রথম ও একমাত্র অনলাইন স্বাস্থ্যপত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়। রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।  -কর্তৃপক্ষ

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে তথ্য বিহীন জীবন অচল। ইলক্ট্রেনিক মিডিয়ার যুগে ইন্টারনটে তথা অনলাইন মিডিয়া একটি গুরুত্বর্পূণ ভূমকিা পালন করছে। মূখে আমরা যতই বলি না কেনো রাজধানী এবং কতপিয় বিভাগীয় শহর ব্যাতীত অন্যসব জেলাগুলো এখনো অনগ্রসর হয়ে আছে শুধুমাত্র উন্নত যোগাযোগ ব্যাবস্থার অভাবে। এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তথ্যের অপ্রতুলতার কারনে অনেক কছিুই করা হয়ে উঠে না, অজানা থেকে যায় অনেক তথ্য। তথ্য হতে হবে সবার জন্য উনুক্ত আর এই তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বর্পূন মাধ্যম হতে পারে ইন্টারনেট। মোবাইল নেটওর্য়াকের কল্যানে র্বতমানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পৌছে গেছে ইন্টারনেট। আমাদরে এই শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে আর এই শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য চাই কিছু মহৎ উদ্যোগ। ব্যাক্তস্বার্থকে ছাপিয়ে দশে ও দেশের মানুষরে কল্যানরে জন্য অনকেই কাজ করতে চায় কিন্তু প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবে তাদরে স্বপ্ন আলোর মূখ দেখে না। তারপরও জন্মস্থান তথা মাতৃভূমরি প্রতি দায়বদ্ধতা তো থেকেই যায়। মূলত এরকম কিছূ দায়বদ্ধতা থেকেই ভালো কছিু করার উদ্দেশ্যে আমাদের এই প্রয়াস                     নরসিংদী হেলথ কেয়ার www.healthcare.narsingdingdibd.com যা নরসিংদী জেলার প্রথম ও একমাত্র অনলাইন স্বাস্থ্যপত্রিকা। এখানে নরসিংদী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট তথ্যের সমাহার থাকবে। থাকবে নরসিংদীতে চেম্বারে বসেন প্রসিদ্ধ ডাক্তারদের প্রোফাইল, হাসপাতালের নামঠিকানা ফোন নাম্বার সহ যোগাযোগের পূর্ণ বিরণ। অ্যাম্বোলেন্স সেবা প্রদানকারীদের ফোন নাম্বার, ২৪ ঘন্টা খোলাথাকে এমন কিছু ফার্মেসীর নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার সহ। থকবে স্বাস্থ্য সচেতনতায় প্রয়োজনীয় টিপস। আমরা মনে করি স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরী করা শুধুমাত্র দেশের সরকার বা ডাক্তারদের একার কাজই নয়। এটা আমরা সবাই এক সাথে করতে পারি। খুব সামান্য সরল কিছু টিপস নিশ্চিত করতে পারে আমাদের সকলের সুস্বাস্থ্য। ব্যস্ততার কারনে হয়ত অনেকেই ইন্টারনেটে স্বাস্থ্য বিষযক টুঁকিটাকি খুঁজে নিতে পারছেন না। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সেরকমেরই কিছু তুলে ধরতে। নির্ভযোগ্য সূত্র থেকে প্রকাশ করছি স্বাস্থ্য বিষযক নানা কথন, তৈরী করতে চাচ্ছি সামাজিক স্বাস্থ্য সচেতনতা। আশা করি আমাদের এই পথ চলায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগীর মাধ্যমে আপনিও হবেন আমাদের সহযাত্রী।
আমাদের সাথেই থাকুন।
ধন্যবাদ।
free counters
  

  কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ একটি
 ব্যান্ডেজ রোল (২ ইঞ্চি ৬ গজ) ১২টি
 ব্যান্ডেজ রোল (৪ ইঞ্চি ৬ গজ) ১২টি
 ক্রেপ রোল (৪ ইঞ্চি ৬ গজ) দুটি
 তুলা (২০০ গ্রাম/ রোল) একটি
 লিউকোপ্লাস্ট (১ ইঞ্চি ১৫৭ ইঞ্চি) দুই রোল
 লিউকোপ্লাস্ট (২ ইঞ্চি ১৫৭ ইঞ্চি) এক রোল
 ড্রেসিং ফোরসেপ (৬ ইঞ্চি) একটি
 কাঁচি (৫ ইঞ্চি) একটি
 ছুরি (ছোট) দুটি
 রাবার গ্লাভস দুই জোড়া
 থার্মোমিটার (ফারেনহাইট) একটি
 আই শিল্ড তিনটি
 প্লাস্টিকের বাক্স ও সাবান একটি
 টাওয়েল (মাঝারি) দুটি
 প্লাস্টিকের বাটি (৮ ইঞ্চি) একটি
 ত্রিকোণী কাপড় (৬০ ইঞ্চি) পাঁচটি
 টুর্নিকেট (হাত বা পা বাঁধার প্লাস্টিক) পাঁচটি
 কাঠের স্প্লিন্টস (৬/৮/১০ ইঞ্চি) তিন রকমের নয়টি
 অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম (টেট্রাসাইক্লিন ৩%) পাঁচ টিউব
 অ্যান্টিসেপটিক তরল (ডেটল/স্যাভলন) ১০০ মিলি গ্রাম
 খাওয়ার স্যালাইন (ওআরএস) ২০ প্যাকেট
 প্যারাসিটামল ট্যাবলেট ৫০টি
 নেবানল পাউডার (৫ গ্রাম) পাঁচটি
 সেফটিপিন (ছোট ও বড়) ১২টি
 পেপার প্যাড ও পেনসিল এক সেট
 টর্চ লাইট (২ ব্যাটারি) একটি
 গ্যাস লাইটার একটি
 খাওয়ার পানির বোতল (১ লিটার) পাঁচটি
 টিস্যু পেপার এক রোল
 ক্যাপসুল (অ্যামোক্সাসিলিন) ৫০টিসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জুন ১৩, ২০১২

সন্তানের ওপর মা-বাবার রক্তের গ্রুপের প্রভাব

মায়ের রক্তের গ্রুপ এবং তাঁর সন্তানের রক্তের গ্রুপ দুটোর সমীকরণের ফলাফল গর্ভস্থ ভ্রূণ বা নবজাতকের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। ধরা যাক, গর্ভধারিণী মায়ের রক্তের গ্রুপ আরএইচ নেগেটিভ এবং তাঁর স্বামীর রক্তের গ্রুপ আরএইচ পজেটিভ। এই যোগসূত্রে আরএইচ পজেটিভ শিশুর জন্ম হতে পারে। এই মা যদি আগে থেকে আরএইচ রক্তকোষ দ্বারা সংবেদনশীল থাকেন, তাহলে গর্ভস্থ আরএইচ পজেটিভ বাচ্চা আরএইচ হিমোলাইটিক অসুখে কোনো না কোনো মাত্রায় আক্রান্ত হবে। আর মা যদি ডেলিভারির পরে প্রতিক্রিয়ার আওতায় আসেন, সে ক্ষেত্রে পরবর্তী সব আরএইচ পজেটিভ গর্ভস্থ শিশু ঝুঁকিতে থাকবে।

আরএইচ(রিসাস) ব্লাড গ্রুপ
ও-এ-বি ব্লাড সিস্টেমের সাথে কারো শরীরে রক্ত সঞ্চালন কিংবা নবজাতক শিশুতে মারাত্নক হেমোলাইটিক ডিজিস তৈরিতে আরএইচ ব্লাড গ্রুপ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এবিও রক্তের গ্রুপ সিস্টেম
একদা যুদ্ধক্ষেত্রের অনুমান-পর্যবেক্ষণসিদ্ধ তথ্য গবেষণায় সিদ্ধি লাভ করে জানা গেছে, মূল রক্তের গ্রুপ হলো চারটি: এ, বি, এবি এবং ও।
 ও রক্তের গ্রুপ যেকোনো রক্তের শ্রেণীতে মেশালে তা জমাট বাঁধে না। তাই একে ইউনিভার্সেল ডোনার বলা হয়।
 এ গ্রুপের রক্ত এ অথবা এবির সঙ্গে মিশতে পারে যদি তা বি বা ও-এর সঙ্গে মেশে, তবে জমাট বাঁধবে।
 একইভাবে বি রক্তকোষ শ্রেণী নিরাপদে বি বা এবির সঙ্গে মেশানো যায়, কখনো ও বা এ-এর সঙ্গে নয়।
 এবি রক্তের শ্রেণী শুধু এবির সঙ্গে মেশে আর কারও সঙ্গে নয়।
তবে প্রধান এই চার রক্তের গ্রুপ অ্যান্টিজেনের বাইরেও ক্যাপিটাল সিস্মল সি, ডি, বড় ই-ছোট ই, বড় কে = ছোট কে, এম, এন এবং আরও অনেক জট পাকানো রক্তশ্রেণীর অস্তিত্ব রয়েছে।

আরএইচ ডি রক্তের শ্রেণীর গরমিল
ভাগ্য ভালো, সব রক্তশ্রেণী দুর্যোগ তৈরি করে না। কিন্তু ডি অ্যান্টিজেনের গরমিলের চিত্র খুব ভয়াবহ হতে পারে।
 তবে মাতা-পিতা দুজনই যদি ডি নেগেটিভ হন, বাচ্চা কখনো ডি পজেটিভ হবে না। সুতরাং বিপদমুক্ত।
 কিন্তু ডি নেগেটিভ মায়ের সঙ্গে ডি পজেটিভ স্বামীর যোগসূত্রে বাচ্চা ডি পজেটিভ, ডি নেগেটিভ দুটোর যেকোনো একটা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডি পজেটিভ বেবি হলেই কেবল বিপদ।
 গর্ভস্থ ভ্রূণ ডি পজেটিভ হলেও প্রথম বাচ্চা এতে আক্রান্ত হয় না। প্রথম বাচ্চা জন্মদানের সময় আরএইচ পজেটিভ রক্তকোষজাত অ্যান্টিডি-অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে, যা পরবর্তী সময়ে গর্ভস্থ শিশু থেকে বা রক্ত সরবরাহতন্ত্রে প্রাপ্ত যেকোনো ডি পজেটিভ রক্তকোষ পেলে সমূহ সংহারে উদ্যোগী হয়। এভাবে আরএইচ নেগেটিভ মা তাঁর ডি-অ্যান্টিজেন নিয়ে কতটা সংবেদনশীল হয়েছেন, তার মাত্রা মায়ের গর্ভকালীন সিরাম ইনভাইরেক্ট কুম্বসটেস্ট দ্বারা নির্ণয় করা যায়। প্রতিক্রিয়ার মাত্রা যত বেশি হবে, গর্ভস্থ ভ্রূণ তত বেশি ক্ষতির শিকার হবে; যার সর্বাধিক নমুনা হচ্ছে হাইড্রপস ফিটালিস।

প্রতিরোধ
 সবাই অবগত আছেন থ্যালাসেমিয়া সন্তান জন্মদান প্রতিরোধে বিবাহপূর্ব রক্ত পরীক্ষা করিয়ে বর বা কনে উভয়ে এ রোগের বাহক কি না জেনে নিয়ে চিকিৎসার আশ্রয় নেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রেও গর্ভপূর্ব হতে মা ও বাবার রক্তশ্রেণী জানা গেলে মা, বাবা ও অনাগত সন্তানের রক্তশ্রেণীর গরমিলজনিত সংকট মোকাবিলায় প্রতিরোধমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করা সহজ।
 সব আরএইচ নেগেটিভ মাকে গর্ভকালীন ২৮ ও ৩৪ সপ্তাহে, প্রসব-পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে, গর্ভপূর্ব সময়ে গর্ভপাত, জরায়ু থেকে রক্তপাত হয়ে থাকলে চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী অ্যান্টিডি ইমিউনোগ্লোবুলিন দেওয়ার মাধ্যমে ভয়ানক এ অসুখ থেকে অনাগত সন্তানকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব।

প্রণব কুমার চৌধুরী
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জুন ২০, ২০১২

Copyright 2021 www.narsingdibd.com Aestheticsand Mohammad Obydullah. 01674605316.All Rights Reserved.